• হরমোনজনিত সমস্যায় এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট (হরমোন বিশেষজ্ঞ) চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

    বর্তমানে প্রতিটি পরিবারে কোন না কোন সদস্য ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যাসহ নানা হরমোনজনিত সমস্যার ভুক্তভোগী। একজন হরমোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকই শুধুমাত্র নিশ্চিত করতে পারেন এধরনের রোগের আদর্শ চিকিৎসা এবং রোগীকে দিতে পারেন নিজের রোগকে নিয়ন্ত্রনের বিষয়ে সঠিক শিক্ষা এবং উপদেশ।

  • শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা মেনে চলুন

    মানবদেহের সংক্রামক রোগসমূহ আমাদের দেহে প্রবেশ করে অপরিষ্কার পরিবেশে জীবনযাপনের জন্য। এমনকি সংক্রামক নয় এমন রোগসমূহও প্রবল আকার ধারন করে এমন পরিবেশে। তাই নিজের, পরিবারের এবং সমাজের সবার নিরাপত্তার স্বার্থে পরিষ্কার পরিছন্নতায় গুরুত্ব দিন।

  • শাঁকসবজি সহ পুষ্টিকর সুষম খাদ্যতালিকা মেনে খাবার গ্রহন করুন

    ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তের চর্বি বৃদ্ধি, দেহের ওজন বৃদ্ধি, ক্যান্সার সহ নানা সমস্যার সমাধান দিতে পারে সুষম খাদ্যতালিকা মেনে পরিমিত পরিমানে খাবার গ্রহনের অভ্যাসটি। এরই সাথে নিয়মিত ব্যায়াম, শারীরিক পরিশ্রম এবং পর্যাপ্ত ঘুম অত্যাবশ্যক।

  • বাসায় নিয়মিত ডায়াবেটিস পরিমাপের গুরুত্ব

    ডায়াবেটিস রোগীর নিজের রক্তের সুগার নিজে পরিমাপের গুরুত্ব অপরিসীম। একজন ডায়াবেটিস রোগী নিজের রক্তের সুগার মেনে নিজেই বুঝতে পারেন তা নিয়ন্ত্রনের মাঝে আছে কিনা এবং হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তের সুগার অতিরিক্ত কমে যাওয়া) নির্ণয় করে তা প্রতিরোধ করতে পারেন।

  • 1st BES-MAYO Advance Course in Endocrinology in Bangladesh

    The mid of 2018 brings an exciting news for Bangladeshi Endocrinologists. Mayo Clinic, a nonprofit academic medical center based in Rochester, Minnesota, focused on integrated clinical practice, education, and research and also world's number one Endocrine center is going to arrange a "Advance Course in Endocrinology" in collaboration with Bangladesh Endocrine Society on 24th-25th January, 2019

গর্ভকালীন হাইপোথাইরয়েডিজমঃ থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি

থাইরয়েড মানবদেহের জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অন্তঃক্ষরা (হরমোন তৈরি করে এমন) গ্রন্থি। এটি থাইরয়েড হরমোন নামক উপাদান রক্তে নিঃসরণ করে থাকে, যা মানব দেহের প্রতিটি কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য একান্ত প্রয়োজন। এই হরমোন যখন স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায় তখন যে সমস্যার উদ্ভব হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলা হয় হাইপোথাইরয়েডিজম।  

এই সমস্যায় ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ, এমনকি বৃদ্ধ কমবেশি সবাই আক্রান্ত হতে পারেন। 



স্বাভাবিক মানুষের হাইপোথাইরয়েডিজম এর লক্ষন সমূহঃ


১) শারীরিক দুর্বলতা,

২) ঠাণ্ডা পরিবেশে অস্বস্তি,

৩) পায়খানা কশা হওয়া,

৪) কাজেকর্মে উৎসাহ কমে যাওয়া,

৫) শরীরের ওজন বৃদ্ধি।

৬) মেয়েদের মাসিকের সাথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ইত্যাদি।




তবে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, মেয়েদের সন্তান ধারনের সময় এই হাইপোথাইরয়েডিজম সমস্যাটির ঝুকি। এই সময়ে উপরের লক্ষন প্রকাশ না পেয়েও মায়েরা হাইপোথাইরয়েডিজমের ঝুকিতে ভুগতে পারেন। আর এই হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলে মেয়েদের গর্ভধারনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে গর্ভপাত ঝুকি অনেকগুন বেড়ে যায়। এমনকি হাইপোথাইরয়েডিজম অজানা থাকলে তা মেয়েদের গর্ভধারনেও বাঁধার সৃষ্টি করে থাকে। এটা জেনে রাখা প্রয়োজন যে গর্ভকালীন সময়ে খুব সামান্য থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতিই মায়ের অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত, বাচ্চার বুদ্ধির বিকাশের সমস্যা সহ নানাবিধি জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। তাই এই সামান্য থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি সঠিক ভাবে নির্ধারণ এবং গর্ভকালীন সময়ে অথবা গর্ভধারনের আগে সঠিক এবং দ্রুত চিকিৎসা করে নিরাপদ গর্ভধারণ করা একান্ত জরুরী। 





গর্ভকালীন হাইপোথাইরয়েডিম বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনাঃ



১) পরিবারে কারো থাইরয়েডের সমস্যা অথবা থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি জনিত  রোগের লক্ষনসমূহ কারো থাকলে তিনি গর্ভধারনের আগেই হরমোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

২) যাঁদের হাইপোথাইরয়েডিজম সমস্যা টি আছে তাঁদের সবাইকে ডাক্তারের পরামর্শে পরিকল্পিত ভাবে গর্ভধারণ করতে হবে। নতুবা গর্ভপাতের ঝুকি অনেক বেড়ে যাবে। এধরনের রোগীর থাইরয়েড হরমোনের ট্যাবলেট নিয়মিত ভাবে গ্রহন করে বাচ্চা নিতে হবে এবং গর্ভধারন নিশ্চিত হওয়া মাত্র ওষুধের মাত্রা -২৫-৩০% বৃদ্ধি করে নিতে হবে।


৩) যাঁদের হাইপোথাইরয়েডিজম সমস্যাটি নেই এমন মায়েদের ক্ষেত্রেও প্রতিটি প্রেগ্ননেন্সির প্রথম তিন মাসের রুটিন চেক আপের সাথে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে থাইরয়েড হরমোনের পরীক্ষা (S. TSH) পরীক্ষাটি করতে হবে। পরীক্ষায় S. TSH: 4.0 mU/L এর বেশি আসলে হরমোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অন্য পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হবে, নতুবা গর্ভপাতের ঝুকি অনেকগুণ বেড়ে যাবে। এখানে উল্লেখ্য যে, স্বাভাবিক রোগীর নরমাল S. TSH এর মাত্রা গর্ভকালীন সময়ে প্রযোজ্য হবে না। তাই  সঠিক ভাবে রোগ নির্ণয় ও তার সমাধানে এই বিশেষক্ষেত্রে হরমোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কোন বিকল্প নেই।



৪) যেসব মেয়েদের বারবার গর্ভকালীন সময়ে গর্ভপাত হচ্ছে তাঁদেরকেও থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি আছে কিনা তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে। 

৫) যেসব মায়েদের গর্ভকালীন সময়ে হাইপোথাইরয়েডের সমস্যাটি নতুন করে ধরা পড়েছে, তাঁদের বাচ্চা হবার ৬ সপ্তাহ পরে আবার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে সমস্যাটির সাময়িকভাবে নাকি সারাজীবন চিকিৎসা প্রয়োজন হবে।



সবশেষে, নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে থাইরয়েড হরমোনজনিত মাতৃত্বকালীন সমস্যা সম্পর্কে জনসচেতনতার কোন বিকল্প নিই। তাই আমরা সবাই এই সমস্যার গুরুত্ব অনুধাবন করি এবং এটি সম্পর্কে সচেতন হই।
Share:

Announcement: Brand Name Change


Hello...

This is an announcement related to my Brand Name Change. It was previously named as "EndoCare". But most of the people failed to realize the what it stands for.

This is why, I'm going to change it in "Diabetes & Endocrine Health Care, BD" for better self explanatory brand name. Change will be applicable for Facebook page also. Thank you all.

Share:

ডায়াবেটিক রোগীর বাসায় নিয়মিত রক্তের সুগার পরিমাপের গুরুত্ব

একজন ডায়াবেটিক রোগীর নিজের নির্দিষ্ট সময় পরপর রক্তের সুগার পরিমাপের গুরুত্ব অপরিসীম। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, রোগী ডায়াবেটিক রোগীরা হুট করে একটি বা দুইবেলার অনিন্ত্রিত সুগারের রিপোর্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা বাড়ির আসে পাশের ঔষধের দোকানদারকে দিয়ে করিয়ে হাজির হন ডাক্তারের কাছে। এতে করে ডাক্তার অনেকক্ষেত্রেই বুঝতে সক্ষম হন না, রোগীর গড়পড়তা রক্তের সুগারের পরিমাপ কতো।

তাই, আদর্শ পদ্ধতিতে বর্তমানে বাসায় নিজে থেকে সুগার পরিমাপ করে তা লিপিবদ্ধ করা এবং সুগার ডায়রি বা রেকর্ডটি নিয়মিত ভাবে ডাক্তারের চেক-আপের সময় নিয়ে আসা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রেন গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসাবে কাজ করে।



এখন প্রশ্ন হচ্ছেঃ

কিভাবে বুঝব ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে আছে কি না?

নিচের ছবিতে প্রদত্ত চার্টটি লক্ষ্য করুন। একজন ভালো এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করার সময় রোগীকে তার সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখে একটি রক্তের সুগারের টার্গেট নির্ধারণ করে দিবেন।


রোগীকে খাদ্যাভ্যাস, হাঁটাচলা, ব্যায়াম এবং নিয়মিত ওষুধপত্র গ্রহনের মাধ্যমে নিজের রক্তের সুগারকে নিয়ন্ত্রনমাত্রা মাঝে রাখতে হবে। সেটি একবেলা বা দুই বেলা নয়, প্রতিবেলার জন্যই নিয়মটি প্রযোজ্য। আদর্শ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন হবে তখনই যখন ২৪ ঘণ্টা রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রন মাত্রার ভিতরে থাকবে।

ডায়াবেটিক রোগীর নতুন ডায়াবেটিস বা অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে আসার জন্য নতুন ওষুধ শুরু করার পরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে আসতে  প্রায় ২-৪ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আদর্শ ভাবে নির্দেশনা পালনের ১ মাস পরেও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না আসলে সে সেই ক্ষেত্রে চিকিৎসা পদ্ধতি পুনরায় নির্ধারণের জন্য এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।  

 কিভাবে বাসায় রক্তের সুগার পরিমাপ করবো?

বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন কোম্পানির সুগার মাপার মেশিন (Glucometer) আছে। তবে সুগার মাপার মেশিন কেনার সময় অপেক্ষাকৃত ভালো কোম্পানি এবং স্ট্রিপ পাওয়া যায় এমন মেশিন কেনাই ভালো। এরকম কয়েকটি ভালো মেশিন হচ্ছে, জনসন এন্ড জনসন কোম্পানির OneTouch মেশিন সমূহ, AccuCheck Glucometer ইত্যাদি।

কতদিন পর পর সুগার পরিমাপ করব? 

আপনার এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট আপনার চিকিৎসার ধরনের উপর ভিত্তি করে আপনাকে সপ্তাহে কতোদিন কতবার সুগার পরিমাপ করবেন তা নির্ধারণ করে দিবেন। সাধারনত অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে আপনাকে সপ্তাহে ২-৩ বার করে ১-২দিন অন্তর অন্তর দুই থেকে চারবেলা সুগার পরিমাপ করে দেখতে হবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে এসেছে কিনা।

সুনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে অন্তত এক বা দুই সপ্তাহ অন্তর অন্তর সুগার যাচাই করে দেখতে হবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে আছে কিনা।

ডায়াবেটিস নিচের মতো করে "সুগার ডায়রি" আকারে লিপিবদ্ধ করবেন এবং তা ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহনের সময় নিয়ে আসবেন।

সুগার কমে যাওয়ার সমাধান কি?


 বাসায় ডায়াবেটিস রোগীর নিজে নিজের সুগার পরিমাপের সুবিধা সমূহঃ

১) নিজের রোগ নিজে নিয়ন্ত্রনে ভূমিকা রাখা এবং নিজের প্রতি আস্থা জন্মানো।
২) সুগার কমে যাওয়ার সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা এবং তা প্রতিরোধ বা দ্রুত সমাধান।
৩) প্রতিবারের সুগারের রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাক্তারের কাছে আদর্শ ব্যবস্থাপত্র গ্রহনের নিশ্চয়তা।
৪) গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের শারীরিক ঝুকি থেকে মুক্ত থাকা।
৫) পর্যাপ্ত পরিমানে ডায়াবেটিসের ওষুধ সম্পর্কে ধারনা নিয়ে নিজের ইনসুলিনের ডোজ নিজেই কমানো বাড়ানো।



Share:

ইনসুলিন দিবেন কিভাবে?

আদর্শ নিয়মে ইনসুলিন গ্রহণের উপর ইনসুলিনের কার্যকারিতা নিহিত। তাই জেনে নিন কিভাবে দিতে হবে ইনসুলিন...


Share:

এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট (হরমোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক) এর ভূমিকা

মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্তঙ্গের মাঝে রয়েছে বিভিন্ন গ্রন্তি। এদের থেকে হরমোন নামক অত্যাবশ্যকীয় উপাদান রক্তে নিঃসরিত হয় যা জীবনযাপনের জন্য একান্ত জরুরী। তবে প্রায়শই এসব গ্রন্থি নানাবিধ সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি অথবা কম হরমোন নিঃসরণ করতে থাকে। তার ফলশ্রুতিতেই দেখা দেয় হরমোনজনিত নানান সমস্যা।



এন্ডোক্রাইনোলজি চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি বিশেষায়িত শাখা যা মানবদেহের হরমোনজনিত সমস্যা নিয়ে কাজ করে চলছে একজন এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট (হরমোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক) রোগীর বিভিন্ন হরমোনজনিত সমস্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।


হরমোনজনিত সমস্যা
হরমোনজনিত সমস্যার লক্ষনসমূহ / উদ্ভূত জটিলতার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
সকল ধরনের ডায়াবেটিস
·         নতুন ডায়াবেটিসের লক্ষনঃ ঘনঘন প্রস্রাব এবং পানির পিপাসা, দুর্বলতা, শরীরের ওজন কমে যাওয়া, ক্ষত না শুকানো, বারবার গর্ভপাত ইত্যাদি।
·         ডায়াবেটিক রোগীর খাদ্যতালিকা, ঔষধ এবং ইনসুলিন নির্ধারণ, রক্তের সুগার কমে যাওয়া, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস।
·         ডায়াবেটিসজনিত জটিল পরিস্থিতি, বিবিধ শারীরিক সমস্যায় উদ্ভূত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন সংক্রান্ত জটিলতা, শিশুদের ডায়াবেটিস ইত্যাদি। 
থাইরয়েড জনিত সমস্যা
(থাইরয়েড গলায় অবস্থিত একটি গ্রন্থি)
·         থাইরয়েড হরমোন ঘাটতির লক্ষনঃ ওজন বৃদ্ধি, গর্ভপাত, মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, কাজেকর্মে অনাসক্তি, ঠাণ্ডা পরিবেশে অস্বস্তি অনুভব করা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস ইত্যাদি।
·         অতিরিক্ত থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যার লক্ষনঃ শরীরের ওজন কমে যাওয়া এবং দুর্বলতা, বুক ধড়ফড়, মানসিক উত্তেজনা, মেয়েদের মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গরম পরিবেশ অস্বস্তি অনুভব ইত্যাদি
·         গলায় ব্যথা এবং ফুলে যাওয়া, থাইরয়েড টিউমার বা গলগণ্ড
·         মেয়েদের গর্ভকালীন এবং বাচ্চার জন্মের পরে থাইরয়েডের সমস্যা।
মেয়েদের অভারিয়ান সিস্টজনিত সমস্যা
·         কৈশোরে মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক, শরীরের ওজন বৃদ্ধি, মুখে লোম ইত্যাদি
·         বিবাহিত মেয়েদের বাচ্চা না হওয়া।
পিটুইটারি হরমোন জনিত সমস্যা
(পিটুইটারি মস্তিষ্কে অবস্থিত একটি গ্রন্থি)
·         মুখ, হাত পা এবং শরীরের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, চোখের দৃষ্টি হ্রাস, মাথা ব্যাথা (এক্রোমেগালি)
·         শরীরে লাল গোলাপি ছোপ, শারীরিক দুর্বলতা, শরীর ফুলে যাওয়া ইত্যাদি (কুসিং সিনড্রোম)
·         এছাড়া বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধি না পাওয়া, হটাৎ ধরা পড়া পিটুইটারি টিউমার, মেয়েদের অনিয়মিত অথবা বন্ধ মাসিক, ছেলেদের স্তনগ্রন্থি থেকে দুধ নিঃসরণ, মেয়েদের বাচ্চা হবার পর বুকে দুধ না আসা এসব লক্ষন পিটুইটারির হরমোনজনিত সমস্যার লক্ষন হতে পারে  
এড্রেনাল গ্রন্থির হরমোনজনিত সমস্যা
(এড্রেনাল গ্রন্থি কিডনির উপরে অবস্থিত)
·         অল্প বয়সে উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ঘাম, মাথা ব্যাথা ইত্যাদি অথবা শারীরিক চেকআপের সময় আলট্রাসনোগ্রাফি/সিটি স্ক্যানে এন্ড্রেনাল গ্রন্থিতে টিউমার ধরা পড়া (ফিওক্রমোসাইটোমা, কোনস সিনড্রোম ইত্যাদি)
·         প্রায়শই রক্তচাপ কমে যাওয়া, বমির ভাব, খিদে না লাগা, দুর্বলতা, শরীর হটাৎ করে কালো হয়ে যাওয়া, কবিরাজি বা হারবাল অথবা স্টেরয়েডযুক্ত ওষুধ দীর্ঘদিন গ্রহনের পরবর্তীতে শারীরিক দুর্বলতা, শরীরের বারবার লবনের ঘাটতি ইত্যাদি (এড্রেনাল ইনসাফিসিয়েন্সি)
সেক্স হরমোনজনিত সমস্যা
·         বাচ্চাদের জননাঙ্গের অস্বাভাবিক গঠন ও লিঙ্গ নির্ধারণজনিত সমস্যা।
·         ছেলেমেয়ের সঠিক বয়সে যৌবনপ্রাপ্ত না হওয়া অথবা বয়সের পূর্বে যৌবনপ্রাপ্তি।  
·         প্রাপ্ত বয়স্ক নারী এবং পুরুষের করে শারীরিক মিলনের অক্ষমতা, যৌন সমস্যা এবং বন্ধ্যাত্ব।
·         মেয়েদের মুখে অতিরিক্ত লোম গজানো অথবা পুরুষের স্তনগ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ইত্যাদি।
বয়সজনিত হরমোন সংক্রান্ত সমস্যা
·         মেয়েদের মাসিক বন্ধের পরে শারীরিক অস্বস্তি, জ্বালাপোড়া, খিটখিটে মেজাজ থাকা।
·         বয়সকালীন হাড়ের ক্ষয়, ভিটামিন – ডি কমে যাওয়া, অল্প আঘাতেই হাড় ভেঙ্গে যাওয়া।
·         রক্তের চর্বির পরিমান বৃদ্ধি, শরীরের ওজন বৃদ্ধি, লিভারের চর্বি জমা হওয়া।  
অন্যান্য হরমোনজনিত সমস্যা
·         বারবার প্রস্রাব, অতিরিক্ত হাড় ক্ষয়, শরীরে ক্যালসিয়াম লবনের মাত্রা বৃদ্ধি, শারীরিক দুর্বলতা এরকম লক্ষনসমূহ (হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম)।
·         ডায়াবেটিস নেই এমন রোগীর সুগার কারন ছাড়াই বারবার কমে যাওয়া।
·         বিভিন্ন ক্যান্সার বা টিউমারের সাথে সম্পৃক্ত হরমোনজনিত সমস্যা।
·         শরীরের বিভিন্ন হরমোনের ঘাটতি অথবা অতিরিক্ত হরমোনজনিত সমস্যা।
Share:

Update from Evidence-based Medicine (For fellow Physicians): Role of Aspirin in Primary Prevention

Most of us, doctors use to have a preexisting suggestion set on our mind backed up by some incomplete data that, “Aspirin might have some role in primary prevention” (treating high risk patients with it before development of the disease, eg: Elderly patient with Diabetes, Hypertension, Dyslipidemia or Family history of Cardiovascular diseases but no prior Heart attack or stroke)

 



Current data: Over the last month, more that few clinical trials (ASPREE, ASCEND Trial, Arrive Study, Papers from NEJM) suggested by their data analysis, that aspirin has no role in primary prevention. Moreover, they might be linked with slightly higher mortality rate (higher association with ? Cancer, only one clinical study suggested that thought, further studies are required for confirmation). 




How to put this evidence in clinical use: Based on the current data, we might be able to shift our treatment plan for high risk patients to control the risk factors like diabetes, hypertension & dyslipidemia and life style modifications rather than putting them on aspirin at the beginning (Not so uncommon). These strategies have proven benefits on primary prevention.  

So, Aspirin to be provided as a part of secondary prevention (patient with existing/history of CVD), but not as a part of primary prevention plan.

Share:

এক নজরে...


ডাঃ লালা সৌরভ দাস

এমবিবিএস, ডিইএম (বারডেম)

ডায়াবেটিস, থাইরয়েড এবং হরমোন বিশেষজ্ঞ (এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট)

মেম্বার অফ বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি

মেম্বার অফ আমেরিকান এ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিকাল এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট

Subscribe

Recommend on Google

Recent Posts